সহিহ বুখারিতে উদ্ধৃত একটি হাদিস। সালমান ফারসি রা. বর্ণনা করেন, রাসূল সা. বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমাবার গোসল করে, নিজেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে এবং শরীরে সুগন্ধি মেখে নামাজের উদ্দেশ্যে বের হয়। তার দুই ভাই ও বন্ধুর মাঝে দূরত্ব ঘোচানোর চেষ্টা করে। তারপর সাধ্যমতো নামাজ পড়ে এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শ্রবণ করে, তার বিগত এক সপ্তাহের গুনাহগুলোকে মাফ করে দেওয়া হয়।” বুখারি : ৮৮৩
যদি কারও শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়, তবে জুমাবার আসার দু-এক দিন আগেও প্রয়োজনে নিজেকে পরিচ্ছন্ন করে নেবে। আর যখনই গোসল করার প্রয়োজন পড়বে, তখনই তা করা উচিত।
বিশেষত জুমাবারে বেশি পানি দিয়ে গোসলের কথা বলা হয়েছে। কারণ, সেদিন জুমার সালাত আদায় করতে হয়। আর জুমার নামাজে মসজিদগুলোতে অন্য যেকোনো ওয়াক্তের নামাজের তুলনায় অনেক বেশি মুসল্লি সমবেত হয়। যদি গোসল করার পরও কারও শরীর নোংরা হয় বা মাত্রাতিরিক্ত ঘামের কারণে দুর্গন্ধ বের হয়, তাহলে সন্ধ্যা বেলায় বা পরদিন ভোরে আবার গোসল করবে।
সহিহ বুখারি ও মুসলিমে উদ্ধৃত একটি হাদিস এখানে উল্লেখ করা যায়। আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, “প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার মাথা ও শরীর বিশেষভাবে ধোয়া প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব।” বুখারি : ৮৫৬, মুসলিম : ৮৪৯
আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, “নবি করিম সা. যখন গোসল করতেন, তখন প্রথমে হাত দুটো ধুয়ে নিতেন। তারপর সালাতের অজুর মতো অজু করতেন। আঙুল পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। অতঃপর উভয় হাতের তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর সারা দেহের ওপর পানি ঢালতেন।” আহমাদ : ২৫৭০৮
লেখক: আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ
ভাষান্তর: আলী আহমদ মাবরুর
